ভোগান্তির ম্যাচেও ‘দারুণ পারফরম্যান্সের’ আনন্দ বার্সেলোনার!
প্রকাশিত: 10:14 দুপুর, 18 মার্চ 2026
নিউক্যাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে কখনোই বার্সেলোনাকে তাদের সেরা ছন্দের ধারেকাছে দেখা যায়নি। ম্যাচের প্রায় পুরোটা সময়েই দ্বিতীয় সেরা দল হয়ে ছিল তারা। তবে কোনোমতে হার এড়ানোর পর, ঘর সামলানোর ক্ষেত্রে দলের নিবেদনে সন্তোষ শোনা গেল পাউ কুবার্সির কণ্ঠে।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে প্রতিপক্ষের মাঠে শুরু থেকেই চাপের মুখে পড়ে বার্সেলোনা। মঙ্গলবার রাতে নিউক্যাসলের গতিময় ফুটবলের সামনে তেমন একটা সুবিধা করতে পারেনি তারা।
নির্ধারিত সময়ের চার মিনিট বাকি থাকতে হার্ভি বার্নসের গোলে হারের শঙ্কায়ও পড়ে যায় কাতালান ক্লাবটি। তবে পেদ্রির বদলি নামা অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার দানি ওলমো শেষ দিকে ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় সফরকারীরা এবং লামিনে ইয়ামাল সফল স্পট কিকে বল জালে পাঠালে ১-১ ড্রয়ে শেষ হয় লড়াই।
দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্স একদমই সন্তোষজনক নয়। তবে ম্যাচের পর এর মধ্য থেকেই ইতিবাচক দিক খুঁজলেন তরুণ ডিফেন্ডার কুবার্সি।
“রক্ষণ আমরা দারুণ পারফর্ম করেছি। (নিউক্যাসলের) গোলটির সময় আমাদের মনোযোগে চিড় ধরেছিল, তবে দানি ওলমো এলো এবং তার যে দায়িত্ব সেটাই করল। আমরা ড্র করতে পারলাম, যা ভালো ফল।”
“আমরা জানতাম, এখানে এসে লড়াই করা কঠিন হবে। তারা সবসময় কঠিন চাপ তৈরি করে, তাই তাদের বিপক্ষে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। হয়তো আমরা আক্রমণভাগে সেরা অবস্থায় ছিলাম না।”
ম্যাচের শেষ শটে হার এড়ানোর পর, কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার ব্যাপারে আশাবাদী হতেই পারে বার্সেলোনা। কেননা, ফিরতি লেগ যে হবে তাদেরই আঙিনা কাম্প নউয়ে, আগামী বুধবার।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে প্রতিপক্ষের মাঠে শুরু থেকেই চাপের মুখে পড়ে বার্সেলোনা। মঙ্গলবার রাতে নিউক্যাসলের গতিময় ফুটবলের সামনে তেমন একটা সুবিধা করতে পারেনি তারা।
নির্ধারিত সময়ের চার মিনিট বাকি থাকতে হার্ভি বার্নসের গোলে হারের শঙ্কায়ও পড়ে যায় কাতালান ক্লাবটি। তবে পেদ্রির বদলি নামা অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার দানি ওলমো শেষ দিকে ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় সফরকারীরা এবং লামিনে ইয়ামাল সফল স্পট কিকে বল জালে পাঠালে ১-১ ড্রয়ে শেষ হয় লড়াই।
দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্স একদমই সন্তোষজনক নয়। তবে ম্যাচের পর এর মধ্য থেকেই ইতিবাচক দিক খুঁজলেন তরুণ ডিফেন্ডার কুবার্সি।
“রক্ষণ আমরা দারুণ পারফর্ম করেছি। (নিউক্যাসলের) গোলটির সময় আমাদের মনোযোগে চিড় ধরেছিল, তবে দানি ওলমো এলো এবং তার যে দায়িত্ব সেটাই করল। আমরা ড্র করতে পারলাম, যা ভালো ফল।”
“আমরা জানতাম, এখানে এসে লড়াই করা কঠিন হবে। তারা সবসময় কঠিন চাপ তৈরি করে, তাই তাদের বিপক্ষে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। হয়তো আমরা আক্রমণভাগে সেরা অবস্থায় ছিলাম না।”
ম্যাচের শেষ শটে হার এড়ানোর পর, কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার ব্যাপারে আশাবাদী হতেই পারে বার্সেলোনা। কেননা, ফিরতি লেগ যে হবে তাদেরই আঙিনা কাম্প নউয়ে, আগামী বুধবার।