ইকুয়েডরের কারাগারে দাঙ্গা, ৩১ জনের মৃত্যু
প্রকাশিত: 07:17 সকাল, 18 মার্চ 2026
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরের একটি কারাগারে সহিংস দাঙ্গার ঘটনায় ৩১ বন্দির মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৯ নভেম্বর) দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ওই কারাগারটিতে সারা দিন ধরে সহিংসতা চলে। সোমবার (১০ নভেম্বর) দেশটির কারা সংস্থার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
কারা সংস্থা এসএনএআই সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেয়া এক বিবৃতিতে জানায়, গুয়াকিলের দক্ষিণে অবস্থিত বন্দর শহর মাচালায় ২৭ জন বন্দির ‘শ্বাসরোধে ও ফাঁসিতে ঝুলে’ মৃত্যু হয়েছে।
একই কারাগারে পৃথক ঘটনায় আরও চারজন বন্দির মৃত্যুর খবর দেয় কারা সংস্থাটি। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
পরে পুলিশ কারাগারের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, একটি নতুন সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সুবিধার আওতায় বন্দিদের রাখাকে নিয়ে এই দাঙ্গা শুরু হয়।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইকুয়েডরের কারাগারে ভয়াবহ দাঙ্গা হয়েছে, যার ফলে শত শত বন্দির মৃত্যু হয়। অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়ার প্রশাসন, আধিপত্য এবং আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রণের জন্য লড়াইরত প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোকে সহিংসতার জন্য দায়ী করে আসছে।
সেপ্টেম্বরে, একই কারাগারে দলবদ্ধ সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট একটি দাঙ্গায় ১৪ জন নিহত এবং আরও ১৪ জন আহত হন। কয়েকদিন পরে, কলম্বিয়ার সীমান্তবর্তী উত্তরাঞ্চলীয় শহর এসমেরালডাসে একটি কারাগারে দাঙ্গায় আরও ১৭ জন নিহত হন।
সংবাদ সংস্থাগুলো জানায়, স্থানীয় বাসিন্দারা কারাগারের দেয়ালের ভিতর থেকে গুলি, বিস্ফোরণ এবং সাহায্যের জন্য চিৎকার শুনতে পেয়েছেন।
কারা সংস্থা এসএনএআই সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেয়া এক বিবৃতিতে জানায়, গুয়াকিলের দক্ষিণে অবস্থিত বন্দর শহর মাচালায় ২৭ জন বন্দির ‘শ্বাসরোধে ও ফাঁসিতে ঝুলে’ মৃত্যু হয়েছে।
একই কারাগারে পৃথক ঘটনায় আরও চারজন বন্দির মৃত্যুর খবর দেয় কারা সংস্থাটি। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
পরে পুলিশ কারাগারের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, একটি নতুন সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সুবিধার আওতায় বন্দিদের রাখাকে নিয়ে এই দাঙ্গা শুরু হয়।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইকুয়েডরের কারাগারে ভয়াবহ দাঙ্গা হয়েছে, যার ফলে শত শত বন্দির মৃত্যু হয়। অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়ার প্রশাসন, আধিপত্য এবং আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রণের জন্য লড়াইরত প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোকে সহিংসতার জন্য দায়ী করে আসছে।
সেপ্টেম্বরে, একই কারাগারে দলবদ্ধ সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট একটি দাঙ্গায় ১৪ জন নিহত এবং আরও ১৪ জন আহত হন। কয়েকদিন পরে, কলম্বিয়ার সীমান্তবর্তী উত্তরাঞ্চলীয় শহর এসমেরালডাসে একটি কারাগারে দাঙ্গায় আরও ১৭ জন নিহত হন।
সংবাদ সংস্থাগুলো জানায়, স্থানীয় বাসিন্দারা কারাগারের দেয়ালের ভিতর থেকে গুলি, বিস্ফোরণ এবং সাহায্যের জন্য চিৎকার শুনতে পেয়েছেন।