ঢাকা | বঙ্গাব্দ
Netfie
N
মাত্র ৮,৫০০ টাকায় Website থেকে App তৈরি করুন
✓ Play Store Publish Android App Push Notification
যোগাযোগ করুন → 01884-189495

কর্ণফুলী নদীতে ৪ হাজার লিটার চোরাই ডিজেলসহ ৯ জন আটক

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : May 11, 2026 ইং
  • পঠিত: ৪৮৭ বার
Overlay/Verification

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে চোরাইভাবে ডিজেল পাচারের সময় প্রায় ৪ হাজার লিটার ডিজেলসহ ৯ জন চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এসময় জব্দ করা হয় একটি ওয়েল ট্যাঙ্কারও। উদ্ধারকৃত ডিজেলের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
রবিবার (১০ মে ২০২৬) রাতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৯ মে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম কর্ণফুলী থানাধীন ডাংঙ্গারচর এলাকার ডায়মন্ড সিমেন্ট ফ্যাক্টরি সংলগ্ন কর্ণফুলী নদীতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ‘কাণ্ডারী-০৬’ জাহাজ থেকে চোরাইভাবে ডিজেল পাচার করে ‘ও.টি আজু শাহ’ নামের একটি ওয়েল ট্যাঙ্কারে স্থানান্তর করা হচ্ছিল।
এসময় কোস্ট গার্ড সদস্যরা ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার এবং পাচারের সঙ্গে জড়িত ৯ জনকে আটক করতে সক্ষম হন। অভিযানে ব্যবহৃত ওয়েল ট্যাঙ্কারটিও জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কর্ণফুলী নদীকে ব্যবহার করে বিভিন্ন জাহাজ ও স্থাপনা থেকে চোরাইভাবে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে পাচার করে আসছিল। গোপন নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে কোস্ট গার্ড এ চক্রের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে আসছিল। সর্বশেষ অভিযানে চক্রটির একটি বড় চালান জব্দ করা সম্ভব হয়েছে।
পরবর্তীতে জব্দকৃত ডিজেল চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বলে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বিভাগের মাধ্যমে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কর্ণফুলী নদী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তেল চুরি ও পাচার চক্র সক্রিয় রয়েছে। বিশেষ করে রাতের আঁধারে জাহাজ থেকে তেল সরিয়ে বিভিন্ন ছোট ট্যাঙ্কার ও নৌযানের মাধ্যমে পাচার করা হয়। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।
নদীপাড়ের কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, “রাতের বেলায় প্রায়ই নদীতে সন্দেহজনক নৌযান চলাচল করতে দেখা যায়। প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো হলে এ ধরনের অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে।”
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, “অবৈধভাবে তেল মজুদ ও চোরাচালান প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে। দেশের জলসীমায় যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে কোস্ট গার্ড সর্বদা তৎপর রয়েছে।”


নিউজটি আপডেট করেছেন : Sarwar Rana

কমেন্ট বক্স