ঢাকা | বঙ্গাব্দ
Netfie
N
মাত্র ৮,৫০০ টাকায় Website থেকে App তৈরি করুন
✓ Play Store Publish Android App Push Notification
যোগাযোগ করুন → 01884-189495

সিলেটে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে র‍্যাব

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : May 25, 2026 ইং
  • পঠিত: ৪৬ বার
Overlay/Verification

সীমান্তঘেঁষা জেলা, পর্যটনকেন্দ্র ও প্রবাসী অধ্যুষিত অঞ্চল- এই তিন বাস্তবতাকে ঘিরে সিলেট বিভাগে মাদকের বিস্তার নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে। বিশেষ করে ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ইয়াবা, গাঁজা, বিদেশি মদ ও ফেনসিডিলের সরবরাহ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ পরিস্থিতিতে সীমান্তপথ, আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও নগরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নজরদারি জোরদারের কথা জানিয়েছে র‍্যাব-৯।

রবিবার (২৪ মে) সিলেটে ঈদের সময়ের নিরাপত্তা নিয়ে কাজিরবাজার গরুর হাটে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন, র‍্যাব-৯-এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার মো. তাজমিনুর রহমান চৌধুরী।

তিনি জানান, সিলেট বিভাগের চার জেলা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় এই অঞ্চলে মাদকের প্রবেশ তুলনামূলক বেশি হচ্ছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

মো. তাজমিনুর রহমান চৌধুরী বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কসবা, কোম্পানীগঞ্জ ও সীমান্তঘেঁষা কয়েকটি এলাকা দিয়ে মূলত গাঁজা, ফেনসিডিল, বিদেশি মদ ও ইয়াবা প্রবেশ করে। এসব মাদক দ্রুত বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়ছে। তবে বড় আকারে দীর্ঘ সময় ধরে মাদক মজুত রাখার সুযোগ পাচ্ছে না চক্রগুলো। নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারির কারণে তারা স্থান পরিবর্তন করছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ঈদের ছুটিতে সিলেটে পর্যটকের চাপ বাড়ে। এই সুযোগে কিছু হোটেল, রিসোর্ট ও পর্যটনকেন্দ্রিক এলাকায় মাদক সরবরাহের প্রবণতাও বাড়ে। বিষয়টি মাথায় রেখে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন ‘হটস্পট’ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতিও রয়েছে।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ছিনতাই, কিশোর গ্যাং ও সহিংস অপরাধের পেছনে মাদকের বড় ভূমিকা পাওয়া যাচ্ছে। মাদকাসক্ত হয়ে অনেক তরুণ অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে নগরের কিছু এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বাড়ছে বলেও উল্লেখ করেন।

র‍্যাব-৯ দাবি করেছে, চলতি বছর সিলেট অঞ্চলে মাদক উদ্ধারে তাদের সাফল্য উল্লেখযোগ্য। ১৫ ব্যাটালিয়নের মধ্যে মাদক উদ্ধারে তারা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। বিভিন্ন অভিযানে ইয়াবা, গাঁজা, বিদেশি মদ ও ফেনসিডিল উদ্ধার এবং বহু মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু অভিযান দিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সীমান্ত ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, তরুণদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার না হলে পরিস্থিতি আরো জটিল হতে পারে।

অধিনায়ক মো. তাজমিনুর রহমান চৌধুরী বলছেন, শুধু ঈদ নয়, সার্বক্ষণিকভাবেই মাদক, অনলাইন জুয়া ও সংঘবদ্ধ অপরাধের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে র‍্যাব।


নিউজটি আপডেট করেছেন : Utfal Barua

কমেন্ট বক্স