ঢাকা | বঙ্গাব্দ

সৌরভ দাশের “দৃষ্টিতে সৃষ্টি” শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Mar 18, 2026 ইং
  • পঠিত: ৩১৭ বার
Overlay/Verification
চট্টগ্রামের জেলা শিল্পকলা একাডেমীর শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন আর্ট গ্যালারি মিলনায়তনে শুরু হয়েছে আলোকচিত্রী সৌরভ দাশের প্রথম একক আলোকচিত্র প্রদর্শনী। প্রদর্শনীর শিরোনাম ‘দৃষ্টিতে সৃষ্টি’‘ স্লো শাটারের’ ভেতর দিয়ে তিনি ধরে আনেন চলমান জীবনের গতি, যেখানে মানুষ কখনো স্পষ্ট নয়, কখনো আলো-ছায়ায় ভেঙে যায় অবয়ব। প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া তার ছবিতে স্থিরতা নেই, আছে প্রবাহ। কোথাও মানুষের চলাচল রূপ নেয় রঙের রেখায়, কোথাও আলো নিজেই হয়ে ওঠে চরিত্র।
এমনই সব শব্দহীন গল্প নিয়ে চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন আর্ট গ্যালারি মিলনায়তনে শুরু হয়েছে আলোকচিত্রী সৌরভ দাশের প্রথম একক আলোকচিত্র প্রদর্শনী।
প্রদর্শনীর শিরোনাম ‘দৃষ্টিতে সৃষ্টি’। দুই দিনব্যাপী এ আয়োজনে স্থান পেয়েছে প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ আলোকচিত্রী সৌরভ দাশের ক্যামেরায় ধরা নির্বাচিত সব আলোকচিত্র।
সৌরভ দাশের ছবিতে মানুষ ও প্রকৃতি দুটোই আছে, কিন্তু মুখ্য হয়ে ওঠে সময়। ‘স্লো শাটারের’ ভেতর দিয়ে তিনি ধরে আনেন চলমান জীবনের গতি, যেখানে মানুষ কখনো স্পষ্ট নয়, কখনো আলো-ছায়ায় ভেঙে যায় অবয়ব। প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া তার ছবিতে স্থিরতা নেই, আছে প্রবাহ। কোথাও মানুষের চলাচল রূপ নেয় রঙের রেখায়, কোথাও আলো নিজেই হয়ে ওঠে চরিত্র।
প্রদর্শনীর ছবিগুলো ঘুরে দেখেছেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কবি ও সাংবাদিক আবুল মোমেন, চিত্রশিল্পী ও আলোকচিত্রী শোয়েব ফারুকী, বাফার সাবেক সহসভাপতি খায়রুল আলমসহ চট্টগ্রামের বিশিষ্ট শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী ও শিক্ষার্থীরা।
প্রদর্শনী ঘুরে দেখার আগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, সৌরভ গত ১৫ বছর ধরে আমাদের সঙ্গে আছে। ষাট বা সত্তরের দশকের আলোকচিত্রীরা যেখানে মূলত অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে স্বশিক্ষিত ছিলেন, সেখানে সৌরভ পাঠশালা থেকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিয়ে সাংবাদিকতায় এসেছে। দীর্ঘ এই ক্যারিয়ারে সে প্রথম আলোর তিনবার সেরা আলোকচিত্রী হওয়ার পাশাপাশি একাধিক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও লাভ করেছে।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিক আবুল মোমেন বলেন, ঊনবিংশ শতাব্দীতে ফটোগ্রাফির যাত্রা শুরু হওয়ার পর তা মানুষের দেখার দৃষ্টিভঙ্গিতে আমূল পরিবর্তন আনে। ফটোগ্রাফি আসার আগে মানুষ ছবি এঁকেই সবকিছু প্রকাশ করত। কিন্তু ফটোগ্রাফি আসার পর মানুষ জগতকে আরও বাস্তবসম্মতভাবে দেখার সুযোগ পায়। যেমন, আগে দৌড়ানোর সময় ঘোড়ার পা চারদিকে ছড়ানো অবস্থায় আঁকা হতো। কিন্তু ফটোগ্রাফি প্রমাণ করে দিল যে, লাফ দেয়ার সময় ঘোড়ার চার পা এক জায়গায় চলে আসে। একইভাবে ট্রেনের ধোঁয়ার গতির বিষয়েও ফটোগ্রাফি আমাদের দৃষ্টিকে সুনির্দিষ্ট করেছে।
নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে আলোকচিত্রী সৌরভ দাশ বলেন, এই প্রদর্শনী কেবল ছবি দেখার আয়োজন নয়। এটি দেখার অভ্যাসকে প্রশ্ন করার, আলো ও সময়ের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক নতুন করে ভাবার এক নীরব মিলনমেলা।
প্রদর্শনীতে অন্যান্যদের মধ্যে  আলোকচিত্রী শোয়েব ফারুকী, বাফার সাবেক সহসভাপতি খায়রুল আলমসহ চট্টগ্রামের বিশিষ্ট শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী ও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন ।

নিউজটি আপডেট করেছেন : দৈনিক ইনফো বাংলা

কমেন্ট বক্স