ঢাকা | বঙ্গাব্দ

কর্ণফুলীর মইজ্জ্যারটেকে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 8, 2026 ইং
  • পঠিত: ৮৯ বার
Overlay/Verification
দক্ষিণ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার মইজ্জ্যারটেক চত্বরে অবস্থিত সুনামধন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান কিউর পয়েন্ট ডায়াগনস্টিক ও রিসার্চ সেন্টারে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। মইজ্জ্যারটেক পুলিশ চেকপোস্টের মাত্র ১০ ফুট দূরত্বে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) গভীর রাতে জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা নগদ টাকা, ল্যাপটপ, কম্পিউটার হার্ডডিস্ক, সিসিটিভি ক্যামেরার ডিভিআরসহ গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম ও নথিপত্র চুরি করে নিয়ে যায়। এতে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ১০ লাখ টাকার বেশি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, চুরির ঘটনায় নগদ প্রায় ৫০ হাজার টাকা, ২টি ল্যাপটপ, ৫টি কম্পিউটার হার্ডডিস্ক, সিসিটিভি ক্যামেরার ডিভিআর এবং গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস খোয়া গেছে। বৃহস্পতিবার সকালে প্রতিষ্ঠান খোলার পর কর্মচারীরা ভাঙা জানালার গ্রিল ও এলোমেলো কক্ষ দেখে বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কর্ণফুলী থানা পুলিশকে অবহিত করেন। কিউর পয়েন্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক টিটু কুমার দে বলেন, “গভীর রাতে পরিকল্পিতভাবে জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে চুরি সংঘটিত হয়েছে। শুধু আর্থিক ক্ষতিই নয়, রোগীদের গুরুত্বপূর্ণ ডাটা ও নথিপত্র চুরি হওয়ায় আমরা ভীষণভাবে উদ্বিগ্ন। প্রায় ১০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। তবে চুরি হওয়ায় সেবা কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হলেও দ্রুত সময়ের মধ্যেই আমরা সব কার্যক্রম স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি, যাতে রোগীদের কোনো ভোগান্তি না হয়।” তিনি আরও বলেন, “এটি শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি নয়, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। আমরা আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছি এবং পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।” এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, কর্ণফুলী থানা এলাকায় সম্প্রতি একই ধরনের চুরির ঘটনা একাধিকবার ঘটলেও থানা পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো কার্যকর কোনো প্রতিকার দেখা যাচ্ছে না। একই কায়দায় জানালার গ্রিল কেটে চুরির ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। একটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে এমন দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা কর্ণফুলী উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Sarwar Rana

কমেন্ট বক্স