ঢাকা | বঙ্গাব্দ

গোলপোস্ট থেকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Mar 18, 2026 ইং
  • পঠিত: ১৬৭ বার
Overlay/Verification
ফুটবল মাঠে একসময় যাঁর বিশ্বস্ত হাত প্রতিপক্ষের নিশ্চিত গোল রুখে দিত, সেই আমিনুল হক আজ দেশের ক্রীড়াঙ্গনের সর্বোচ্চ অভিভাবকের দায়িত্বে। দীর্ঘ জল্পনা, রাজনৈতিক চড়াই-উতরাই ও সংগ্রামের পথ পেরিয়ে অবশেষে ‘টেকনোক্র্যাট কোটায়’ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক। মাঠ থেকে মন্ত্রিসভায় যাওয়ার নজির এ দেশে নতুন নয়। এর আগে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও আরিফ খান জয় খেলাধুলার জগৎ থেকে রাজনীতির আঙিনায় পা রেখে মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব পালন করেছেন। খেলার মাঠ থেকে অবসর নিয়ে আমিনুল হক বেছে নেন দেশের মূলধারার রাজনীতি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে তিনি রাজপথে সক্রিয় হন। তবে এই পথ তাঁর জন্য সহজ ছিল না। বিগত সময়ে রাজনৈতিক হয়রানি, মামলা ও কারাবরণের মতো কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তাঁকে যেতে হয়েছে। তবুও আদর্শ ও বিশ্বাস থেকে তিনি কখনো সরে যাননি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–১৬ আসনে অল্প ব্যবধানে পরাজয় ছিল তাঁর জন্য এক সাময়িক ধাক্কা। কিন্তু তাঁর ক্রীড়া–অবদান, নেতৃত্বগুণ এবং রাজনৈতিক ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ নতুন সরকার তাঁকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এর প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অর্পণ করেছে। ভোলায় জন্ম নেওয়া আমিনুল হকের বেড়ে ওঠা ঢাকার মিরপুরে। তাঁর বড় ভাই মঈনুল হকও ছিলেন মাঠের মানুষ। মাঠের শৃঙ্খলা, দলগত নেতৃত্ব ও দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তাঁর হাত ধরে দেশের যুবসমাজ দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরিত হবে এবং ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের গৌরবময় জয়যাত্রা আরও বেগবান হবে—এমনটাই প্রত্যাশা ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ ও সচেতন মহলের। দেশের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন পূরণ, সুস্থ ধারার ক্রীড়া সংস্কৃতি বিকাশ এবং আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ক্রীড়ানীতির বাস্তবায়নে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় তাঁর নেতৃত্বে কার্যকর ও দক্ষভাবে এগিয়ে যাবে- এমন আশাবাদই আজ সবার।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Utfal Barua

কমেন্ট বক্স